চট্টগ্রাম বোয়ালখালী উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো কালুরঘাট–ভাণ্ডালজুড়ী সড়ক রক্ষা এবং বড় বালুবাহী ট্রাক চলাচলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় চরণদ্বীপ যুবদল নেতা লোকমান আলীর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে জানা যায়, বোয়ালখালী কালুরঘাট–ভাণ্ডালজুড়ী সড়কটি মূলত এই এলাকার বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে জনপদকে রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি বেড়িবাঁধ হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলামের সময়কালে কালুরঘাট থেকে চৌধুরীহাট হয়ে ফকিরাখালী ও কেরানীবাজারমুখী অংশে এই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে চৌধুরীহাট থেকে ফকিরাখালী পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও ঘন জনবসতির কারণে তৎকালীন পরিকল্পিত কাজের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সরকারের আমলে সড়কটি সংস্কার করা হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মোছলেম উদ্দিন আহমদের কার্যকালে সড়কটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ টেকসইভাবে নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়।
বর্তমানে বোয়ালখালী উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ১৭ বছরেও বালু পরিবহনের এমন ভয়াবহ ও অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি দেখা যায়নি। আগে সীমিতসংখ্যক ব্যবসায়ী ছোট আকারের ট্রাকে বালু পরিবহন করলেও, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং দানবীয় বড় বড় ট্রাকে করে তা পরিবহনের প্রবণতা মারাত্মকভাবে বেড়েছে। দিনের বেলায় স্থানীয়রা বাধা দিলে সিন্ডিকেট চক্র রাতের আঁধারে এসব বড় আকারের বালুবাহী ট্রাক চলাচল করায়। এতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়ক ও বেড়িবাঁধটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারী ট্রাকের ধাক্কায় রাস্তার পাশের বিদ্যুতের তার ও মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। প্রশাসনের ভূমিকা ও এসব বালু মহালের বৈধতা নিয়েও এখন জনমনে নানা প্রশ্ন উঠছে।
বর্তমানে বোয়ালখালী উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ১৭ বছরেও বালু পরিবহনের এমন ভয়াবহ ও অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি দেখা যায়নি। আগে সীমিতসংখ্যক ব্যবসায়ী ছোট আকারের ট্রাকে বালু পরিবহন করলেও, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং দানবীয় বড় বড় ট্রাকে করে তা পরিবহনের প্রবণতা মারাত্মকভাবে বেড়েছে। দিনের বেলায় স্থানীয়রা বাধা দিলে সিন্ডিকেট চক্র রাতের আঁধারে এসব বড় আকারের বালুবাহী ট্রাক চলাচল করায়। এতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়ক ও বেড়িবাঁধটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারী ট্রাকের ধাক্কায় রাস্তার পাশের বিদ্যুতের তার ও মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। প্রশাসনের ভূমিকা ও এসব বালু মহালের বৈধতা নিয়েও এখন জনমনে নানা প্রশ্ন উঠছে।
এই জনদুর্ভোগ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের বিরুদ্ধে যারা প্রথম থেকে সোচ্চার ছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম চরণদ্বীপ যুবদল নেতা লোকমান আলী। সম্প্রতি বড় বালুবাহী ট্রাক চলাচলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলায় কালুরঘাট পশ্চিমকুলে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। জনস্বার্থে প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন রাজনৈতিক কর্মী এভাবে হামলার শিকার হওয়ায় সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছেন।
এলাকার সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগীরা বলছেন, আজ লোকমান আলীর ওপর হামলা হয়েছে, কাল যে সাধারণ কোনো নাগরিকের ওপর হামলা হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই দলীয় পরিচয় বা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।
বিএনপির থানা ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সচেতন মানুষের কাছে আহ্বান জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, কালুরঘাট–ভাণ্ডালজুড়ী সড়ক আমাদের রক্ষা করতেই হবে। অবৈধ বালু উত্তোলন ও জনদুর্ভোগ বন্ধের পাশাপাশি লোকমান আলীর ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা বজায় রাখলে তা অপরাধীদের আরও প্রশ্রয় দেবে। তাই বোয়ালখালীর অস্তিত্ব রক্ষার এই লড়াইয়ে সবাইকে এখনই সোচ্চার হওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
Copying…

